99ab-এ দায়িত্বশীল খেলা বলতে শুধু নিয়মের তালিকা বোঝায় না — এটা একটা মনোভাব। প্রতিটি ব্যবহারকারী যেন নিজের সীমা বুঝে, নিজের সুস্থতার কথা ভেবে খেলে — এটাই আমাদের চাওয়া।
অনলাইন গেমিং বা স্পোর্টস বেটিং একটি বিনোদনমূলক কার্যক্রম। ক্রিকেট ম্যাচে বাংলাদেশ দলের জন্য বেট করা, বন্ধুদের সাথে গেমে প্রতিযোগিতা করা — এগুলো আনন্দের। কিন্তু যখন এই আনন্দ বাধ্যবাধকতায় পরিণত হয়, যখন হারের পর আরও বেট করার তাড়না আসে, যখন গেমিং নিয়ে মিথ্যা বলা শুরু হয় — তখন বুঝতে হবে যে সমস্যা হচ্ছে।
99ab স্পষ্টভাবে বলতে চায় — আমাদের প্ল্যাটফর্ম কারো আর্থিক সংকট থেকে বেরিয়ে আসার জায়গা নয়। ধারদেনা করে, সংসারের খরচ বাদ দিয়ে বেট করা কখনোই উচিত নয়। গেমিং সেই টাকায় করুন যা হারলেও আপনার দৈনন্দিন জীবনে কোনো প্রভাব পড়বে না।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং দ্রুত বাড়ছে — এটা ভালো। কিন্তু সাথে সাথে সচেতনতাও বাড়ানো দরকার। 99ab সেই সচেতনতার প্রচার নিজেদের দায়িত্ব মনে করে। আমরা চাই আমাদের ব্যবহারকারীরা বছরের পর বছর আনন্দের সাথে খেলুন — তাড়াতাড়ি সব শেষ করে হতাশ হয়ে চলে না যান।
নিচের কোনো বিষয় যদি আপনার সাথে মিলে যায়, তাহলে একটু থামুন এবং নিজেকে প্রশ্ন করুন। এটা দুর্বলতার লক্ষণ নয় — এটা সচেতনতার লক্ষণ।
- বাজেটের বেশি বেট করে ফেলছেন, পরে অনুশোচনা হচ্ছে
- হারের পর হারানো টাকা তুলতে আবার বেট করছেন
- গেমিং কমাতে বা বন্ধ করতে চেষ্টা করছেন কিন্তু পারছেন না
- পরিবার বা বন্ধুদের কাছে গেমিংয়ের বিষয়ে মিথ্যা বলছেন
- গেমিংয়ের জন্য সংসার বা প্রয়োজনীয় খরচ কাটছাঁট করছেন
- না খেললে মেজাজ খারাপ থাকছে বা অস্থির লাগছে
- কাজ, পড়াশোনা বা সম্পর্কে গেমিং প্রভাব ফেলছে
দায়িত্বশীল খেলা মানে খেলা ছেড়ে দেওয়া নয় — মানে স্মার্টভাবে খেলা। এই ছোট অভ্যাসগুলো অনেক বড় পার্থক্য তৈরি করে:
- খেলার আগে একটা সর্বোচ্চ বাজেট ঠিক করুন এবং সেটাতেই থাকুন
- জেতার পর একটু বিরতি নিন — উত্তেজনায় সব একসাথে বাজি রাখবেন না
- হারলে ভাঙতে যাবেন না — আজকের দিনটা শেষ, আগামীকাল নতুন দিন
- মদ্যপান বা মানসিক চাপে থাকলে বেটিং থেকে দূরে থাকুন
- গেমিংকে জীবনের একটা ছোট অংশ রাখুন, সব কিছু নয়
- পরিবারের সাথে সৎ থাকুন — লুকোচুরি সমস্যাকে বাড়ায়
- নিয়মিত বিরতি নিন এবং অন্য বিনোদনেও সময় দিন
99ab-এর অ্যাকাউন্ট সেটিংসে "দায়িত্বশীল গেমিং" বিভাগে গেলে একটি মাত্র জায়গা থেকে সব টুল পাবেন। কোনো সাপোর্টে যোগাযোগ না করেও নিজে থেকেই সব সীমা নির্ধারণ করা যায়।
আর যদি মনে হয় যে সমস্যা বেড়ে গেছে, একা সামলানো কঠিন হচ্ছে — তাহলে কাছের মানুষকে বলুন। পেশাদার সাহায্য নেওয়াও বিবেচনা করুন। গেমিং আসক্তি একটি স্বীকৃত সমস্যা এবং এর চিকিৎসা আছে।